Observe All India Protest Day on August 23

Leaders of nine political parties, Communist Party of India (Marxist), Telugu Desam Party, Communist Party of India, All India Anna Dravida Munnetra Kazhagam, Biju Janata Dal, Janata Dal (S), Rashtriya Lok Dal, All India Forward Bloc and Revolutionary Socialist Party met in New Delhi on August 19 2011. The meeting decided to call for an all India protest day to be observed on August 23 to demand effective measures against corruption including a strong Lokpal. The countrywide protest will also demand the protection of democratic rights and the right to conduct peaceful protests.

On August 23, all over the country, the nine political parties will organize demonstrations and dharnas in all state capitals and district headquarters.

Please read the details here ...

News

Articles and Updates

Campaign LIVE

CLICK HERE TO WATCH  LIVE PEOPLES POWER 

 
বামফ্রন্টের হোর্ডিং এবং পোস্টার

 

২০১১ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বামফ্রন্টের প্রার্থী তালিকা

২০১১ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বামফ্রন্টের প্রার্থী তালিকার জন্যে এখানে ক্লিক করুন 

রেলের যাত্রীস্বার্থ কোথায়?

১৪ই এপ্রিল ১৯৫২ সালে ব্রিটিশদের হাত থেকে রেল ব্যবস্থা নেওয়া হলো এবং পূর্ব রেল গঠিত হলো যথাক্রমে হাওড়া, শিয়ালদহ, আসানসোল এবং দানাপুর ডিভিশনকে নিয়ে। সাথে রইল বি এন আর রেল (বেঙ্গল-নাগপুর রেলওয়ে)। পরবর্তীকালে ১লা আগস্ট ১৯৫৫ সালে বেঙ্গল-নাগপুর রেল পূর্ব রেল থেকে বিচ্ছিন্ন করে সাউথ ইস্টার্ন রেলওয়ে যা দক্ষিণ-পূর্ব রেল নামে গঠিত হলো। দুইটির হেড কোয়ার্টারই কলকাতায়, যার একটি বি বা দি বাগে এবং অপরটি গার্ডেনরিচে অবস্থিত। আবার বি জে পি সরকারের আমলে ০১/১০/২০০২ সালে পূর্ব রেল থেকে বার করে নিয়ে যাওয়া হলো যথাক্রমে ধানবাদ, মুঘলসরাই এবং দানাপুর, গঠিত হলো ইস্ট-সেন্ট্রাল রেলওয়ে যার হেড কোয়ার্টার হলো হাজিপুরে। য

ছবির ধাঁধার মতোই কীভাবে হয় খবরের ধাঁধা

নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়াম। ১৮ই ফেব্রুয়ারির সন্ধ্যা। দ্য টেলিগ্রাফ পত্রিকার আয়োজনে বিতর্কসভা। বিতর্কের বিষয় : রাজনীতিকদের সরকারের বাইরে রাখলে ভারত ভালো এগোবে। বক্তাদের অন্যতম ছিলেন আমাদের দেশের রেলমন্ত্রী ও রাজ্যের বিরোধী নেত্রী মমতা ব্যানার্জি।

স্টার আনন্দ চ্যানেল সেই বিতর্কসভা সরাসরি সম্প্রচার করছিলো। আমরাও দেখছিলাম। পরদিন আনন্দবাজার পত্রিকা সেই বিতর্কসভার প্রতিবেদন ছেপেছিলো। আমরা তাও পড়েছিলাম।

২৩শে ফেব্রুয়ারি লাখো মানুষের সংসদ অভিযান

আগামী ২৩শে ফেব্রুয়ারির সংসদ অভিযান দেশের রাজধানীতে হতে চলা কোনো সাধারণ ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলন নয়। দে‍‌শের সব কোণ থেকে আসা শ্রমিকশ্রেণীর এক অভূতপূর্ব, বিশাল ঐতিহাসিক সমাবেশ এবং সি আই টি ইউ, এ আই টি ইউ সি, এইচ এম এস, এ আই সি সি টি ইউ, এ আই ইউ টি ইউ সি, ইউ টি ইউ সি, টি ইউ সি সি, আই এন টি ইউ সি, শিল্প শ্রমিক এবং সার্ভিস সেক্টরের কর্মচারীদের জাতীয় ফেডারেশনগুলির যৌথ নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন দেখার জন্য দেশ অপেক্ষা করে আছে।

তুঙ্গে ওঠা প্রচার

বিলগ্নীকরণ নীতির বিরুদ্ধে বি এস এন এল কর্মচারীদের রায়

বি এস এন এল দপ্তরে মেম্বারশিপ ভেরিফিকেশনে পরপর চার বার জয়লাভ করল বামপন্থী কর্মচারী সংগঠন বি এস এন এল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন। গত ১লা ফেব্রুয়ারি ২০১১ সারা দেশে ইউনিয়নের সদস্য পদ যাচাই করার এই নির্বাচনে প্রায় ২ লক্ষ ২৯ হাজার তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে এবং ১৫টি কর্মচারী সংগঠন এই নির্বাচন যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। জম্মু-কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত বিভিন্ন প্রদেশে ২২৭০টি বুথে এই ভোটপর্ব সম্পন্ন হয়। সরকারীভাবে গত ৪ঠা ফেব্রুয়ারি প্রশাসন বামপন্থী বি এস এন এল এমপ্লয়িজ ইউনিয়নকে জয়ী ঘোষণা করে।

এক অন্য লুট : এবার নায়ক মাইক্রো ফিনান্স কোম্পানি

লুটেরারা নিজেরাও স্তম্ভিত সাম্প্রতিক লুটের বহর দেখে! শুধু শ্রীমান রাজার টেলিকমের বড় খেলায় দেশের লোকসান (সি এ জি’র হিসাবে) প্রায় ১ লক্ষ ৭৬ হাজার কোটি টাকা। একশো টাকার নোট গুনতে আরম্ভ করলে কয়েক বৎসর কেটে যাবে। তার পরেও বস্তা বস্তা টাকা পড়ে থাকবে। ফুরোবে না। হ্যাঁ, লুট হ্যায়তো এইসা! অবশ্য রাজ্যের বিরোধী নেত্রী এসব দেখতে পান না। তিনি ‘সততার প্রতীক’ যে। তাঁর এসব কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আমলাদের লুঠপাট দেখলে চলে? সময় নষ্ট হবে না?

বানতলা-কাণ্ডে ওরাই বলেছিলো, ‘সি পি এম করেছে’

‘দু’বছর আগে একবার ব্রিগেডের দিন কলকাতায় থেকেও কারাট সমাবেশে না যাওয়ায় কথা উঠেছিলো। এখন তার উলটোটা হচ্ছে।’

গত ১১ই ফেব্রুয়ারি আনন্দবাজার পত্রিকা এভাবেই একটি মন্তব্য করেছিলো তাদের একটি খবরে। রবিবার যে ব্রিগেড সমাবেশ হয়ে গেলো বামফ্রন্টের ডাকে, ঠিক তার দু’দিন আগে আনন্দবাজারে ওই খবরের টার্গেট করা হয়েছিলো আমাদের পার্টির সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাতকে। খবরটির মূল তথ্য ছিলো, ব্রিগেডের সমাবেশে বক্তৃতা না করলেও অন্তত উপস্থিত থাকতে চেয়েছেন প্রকাশ কারাত এবং এই ‍নিয়ে সি পি আই (এম)-এ জটিলতা তৈরি হয়েছে।

উন্নয়নের স্বার্থে গণতন্ত্রকে সুরক্ষিত করুন

কাল বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। ব্রিগেডে ঠিক ৩৭০দিন বাদে পুনরায় বামফ্রন্টের সমাবেশ হচ্ছে। বিগত এক বছরে রাজ্যের রাজনীতিতে গরিবের ঐক্য ধ্বংস করার প্রতিক্রিয়ার কর্মসূচী যেমন অব্যাহত রয়েছে ঠিক তেমনই গরিবের ঐক্য গড়ে তোলার সংগ্রাম অতীতের তুলনায় অনেক বেশি প্রসারিত হয়েছে। গণতন্ত্র সুরক্ষিত করার আন্দোলনও আগের থেকে অনেক জোরদার হয়েছে। এ’রাজ্যে নৈরাজ্য, সন্ত্রাস শেষ কথা বলবে না— এই বার্তা রাজ্যের সর্বত্র সক্রিয় রয়েছে এবং এই বার্তার পক্ষে সাধারণ মানুষও আগের তুলনায় বেশি বেশি করে সাড়া দিচ্ছেন। রাজ্যের মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধির কষ্ট থে

উপোল মাণ্ডির চিঠির উত্তর মিলবে ব্রিগেডে

সেই গ্রাম থেকে ঝাড়খণ্ডের দূরত্ব মাত্র ২৫০ মিটার। সেই গ্রামের এক কিশোরীর স্বপ্ন আর সঙ্কটের চিঠি এই ফেব্রুয়ারিতে এসে পৌঁছেছে ১৭০ কিমি দূরে লালদিঘির ধারে — মহাকরণে।

গ্রামের নাম বুড়িঝোড়। থানা বেলপাহাড়ি। কাছেই কাঁকরাঝোড় আর তার ভাঙা, মাইন-বিধ্বস্ত বনবাংলো। শীত পেরিয়ে গেছে। এখন, এই ফেব্রুয়ারিতে বুড়িঝোড়ের শালমহল কিংবা মহানগরে একইসঙ্গে শিমূল পলাশের আলো ধরেছে। সন্দেহ নেই বসন্ত আসছে। আর উপোল মাণ্ডি নামে ঐ কিশোরীর মনোবাসনার মানচিত্র আঁকা দু’পাতার চিঠিও আর এক বসন্তেরই ইঙ্গিতময়।

Powered by Drupal, an open source content management system