বানতলা-কাণ্ডে ওরাই বলেছিলো, ‘সি পি এম করেছে’
‘দু’বছর আগে একবার ব্রিগেডের দিন কলকাতায় থেকেও কারাট সমাবেশে না যাওয়ায় কথা উঠেছিলো। এখন তার উলটোটা হচ্ছে।’
গত ১১ই ফেব্রুয়ারি আনন্দবাজার পত্রিকা এভাবেই একটি মন্তব্য করেছিলো তাদের একটি খবরে। রবিবার যে ব্রিগেড সমাবেশ হয়ে গেলো বামফ্রন্টের ডাকে, ঠিক তার দু’দিন আগে আনন্দবাজারে ওই খবরের টার্গেট করা হয়েছিলো আমাদের পার্টির সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাতকে। খবরটির মূল তথ্য ছিলো, ব্রিগেডের সমাবেশে বক্তৃতা না করলেও অন্তত উপস্থিত থাকতে চেয়েছেন প্রকাশ কারাত এবং এই নিয়ে সি পি আই (এম)-এ জটিলতা তৈরি হয়েছে।
না। কম-বেশি সাড়ে পাঁচশো শব্দের ওই খবরে কোথাও আমাদের পার্টির কে বা করা এমন তথ্য জানালেন, তাঁদের কোনও নাম জানানো হয়নি। বরং এক জায়গায় লেখা হয়েছিলো, ‘কারাটের কলকাতা সফরের ইচ্ছার খবর এখনও সি পি এমে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত নয়। ... কিন্তু এ কে জি ভবন সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গে এমন গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের আগে ব্রিগেডে থাকতে চেয়ে ঘনিষ্ঠ নেতাদের কাছে উৎসাহ দেখিয়েছেন কারাট।’
তাহলে বুঝুন কীভাবে খবর ও তথ্য সাজিয়েছে আনন্দবাজার। বস্তুত, আমরা হিসাব করে দেখলাম, ওই খবরে মোট এগারোটি বাক্য ব্যবহার করা হয়েছে তথ্যসূত্র হিসাবে। আগেই বলেছি, কে জানালেন এমন তথ্য, তাঁর নাম দেয়নি ওরা খবরে। বরং বিভ্রান্তি তৈরি করতে সূত্র হিসাবে যেমন বাক্য ব্যবহার করে থাকে ওরা, তাই করেছে এবারো। ওরা তথ্যসূত্র হিসাবে যেগুলি ব্যবহার করেছে, তা হলো, ‘দলের অন্দরে’, ‘সি পি এমের একটি বড় অংশের মত’, ‘দলের ওই অংশের মত’, ‘দলের তরফে বলা হচ্ছে’, ‘এ কে জি ভবন সূত্রের খবর’, ‘দলেরই একাংশের বক্তব্য’, ‘কেন্দ্রীয় কমিটির এক সদস্যের কথায়’, ‘আশঙ্কা দলের একাংশের’, ‘কেন্দ্রীয় কমিটির একাংশের বক্তব্য’, ‘পৌঁছতে চায় আলিমুদ্দিন’, ‘রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর এক সদস্যের কথায়’।
এইসব ‘তথ্যসূত্র’ সাজিয়ে ওরা খবরে নিজেরাই নিজেদের মন্তব্য হিসাবে খবরে দুটো যে তথ্য দিয়েছে, তারমধ্যে একটি এই লেখার শুরুতেই উল্লেখ করেছি। আরেকবার জানাই, ওরা লিখেছে, ‘দু’বছর আগে একবার ব্রিগেডের দিন কলকাতায় থেকেও কারাট সমাবেশে না যাওয়ায় কথা উঠেছিলো। এখন তার উলটোটা হচ্ছে।’
প্রশ্ন হলো, তথ্যটি ঠিক কী? দু’বছর আগে মানে ২০০৯ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারির কথাই বলতে চেয়েছে আনন্দবাজার। লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ওই দিন ব্রিগেডে সমাবেশ করেছিলো বামফ্রন্ট। আনন্দবাজার বলছে, ওই দিন কলকাতায় থেকেও প্রকাশ কারাত নাকি ব্রিগেডে যাননি। অথচ ঘটনা বলছে, প্রকশ কারাত আদৌ সেদিন কলকাতায় ছিলেন না। আগেরদিনই দিল্লিতেই প্যালেস্তাইন নিয়ে এক সেমিনারে বক্তা ছিলেন প্রকাশ কারাত। সঙ্গে ছিলেন এ বি বর্ধন। পরদিনও তিনি দিল্লিতেই ছিলেন। তাহলে আনন্দবাজার কেন এমন লিখলো? ওরা খুব ভালোভাবে জানে, পার্টির সম্মেলন বা আন্দোলন কর্মসূচীর সভা-সমাবেশ ছাড়া প্রকাশ কারাত-এ বি বর্ধন’রা সাধারণত ব্রিগেড সমাবেশে অংশ নেন না। তবুও ওরা ‘প্রকাশ কারাতের বাসনা’ হিসাবে বানিয়ে যে এমন খবর করলো, তার উদ্দেশ্য, প্রাণঘাতী নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে গণ-প্রতিরোধের একেবারে সামনে থাকা বুক চিতিয়ে লড়াইয়ে এমনকি জীবন পর্যন্ত বিসর্জন দেওয়া আমাদের পার্টির সাধারণ কর্মী থেকে শুরু করে গোটা পার্টিকেই হেয় করার মরিয়া চেষ্টা চালানো। তাই সব সময়ের অন্যতম টার্গেট একেবারে খোদ প্রকাশ কারাত! যেমন কখনও কখনও বিমান বসু, কখনও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, কখনও কোনও জেলার নেতৃস্থানীয় কেউ। ওদের আরেকটা ধারণা হলো, দু’বছর আগে ব্রিগেড সমাবেশটা কবে হয়েছিলো তা-ই হয়তো মনে নেই সি পি আই (এম) কর্মী কিংবা মানুষজনের, অতএব প্রকাশ কারাত আদৌ কলকাতায় যে ছিলেন না, তা নিশ্চয়ই মনে থাকবে না। অতএব এখন লিখে দিলেই হলো যে দু’বছর আগে ব্রিগেড সমাবেশের দিন কলকাতায় ছিলেন প্রকাশ কারাত, কিন্তু ব্রিগেডে যাননি। তাই নিয়ে কথা উঠেছিলো ...।
তা, আমরা বলি, কী কী কথা তখন উঠেছিলো, সেটা ওই সময়ে ওদেরই খবরের কাগজের পাতা থেকে উদ্ধৃত করে জানাক দেখি আনন্দবাজার! সাহস হবে জানাবার? যদি সত্যিই তেমন ঘটনা ঘটে আর কথা ওঠে, তাহলে আনন্দবাজার কি তখন চুপ করেছিলো? নিশ্চয়ই নয়। জানাক ওরা, ওদের সেই সময়কার খবর উদ্ধৃত করে। পারবে না। পারবে না ওরা তা তুলে ধরতে। কেন না তেমন ঘটনা তো দু’বছর আগে আদৌ ঘটেনি। যেটা ঘটনা এখন তা হলো, ১৩ই ফেব্রুয়ারি আমাদের পার্টির কর্ণাটক রাজ্য কমিটির বৈঠকে যোগ দিতে গিয়েছেন প্রকাশ কারাত। ওই বৈঠক অনেক দিন আগেই ঠিক করা ছিলো। প্রকাশ কারাত ওখানে যাবেন বলেও পূর্ব নির্ধারিত ছিলো। তাই গিয়েছেন তিনি। তাহলে তিনি ব্রিগেড সমাবেশে আসার বাসনা প্রকাশ করেছেন, এই তথ্যের কোনো ভিত্তি নেই।
খবরের দ্বিতীয় একটা তথ্য ছিলো। আনন্দবাজার যেমন তাদের মতো করে লিখেছিলো, তা হলো, ‘...একের পর এক কেলেঙ্কারিতে কেরল সি পি এম জেরবার দেখে তিনি যাতায়াত বাড়ান ত্রিপুরায়। বৃন্দা কারাটের জন্য রাজ্যসভার আসন বার করতেই জয়ার সঙ্গে হাত মেলান তিনি। এ ডি এম কে জিতবেই, এমন বাজি রাখা সম্ভব নয়। তাই বঙ্গ সি পি এম’র সঙ্গেও সেতু মেরামত করতে চাইছেন সাধারণ সম্পাদক।’
অথচ এই আনন্দবাজারই কয়েকমাস আগে আমাদের পার্টির কেরল রাজ্য কমিটির সভায় প্রকাশ কারাত ছিলেন এবং প্রকাশ কারাতকে ওই রাজ্যে সাংগঠনিক কাজেই যেতে হচ্ছিলো বলে একটি খবর করে সেই সময় তাদের মতো করে লিখেছিলো, পশ্চিমবঙ্গ থেকে সীতারাম ইয়েচুরি ছাড়া এরপর স্ত্রী বৃন্দা কারাতকে রাজ্যসভায় পাঠানো সম্ভব নয় বুঝে বৃন্দাকে রাজ্যসভায় পাঠানোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতেই প্রকাশ কারাত ঘন ঘন কেরল সফর করছেন ...।
অথচ এখন ওরা লিখছে ‘বৃন্দার জন্য’ জয়ার সঙ্গে কারাতের ‘হাত মেলানোর’ কথা! ওরা ভেবেছে, কিছুদিন আগেই ‘বৃন্দার জন্য’ প্রকাশের কেরল যাতায়াত বলে যে বাজে খবরটি ওরা লিখেছিলো, তা বোধহয় মনে নেই সি পি আই (এম) কর্মীদের। অতএব, যা হোক লিখে দিলেই হলো! যখন যে খবর খাওয়ানো যায় আর কি! এই যে রবিবার ব্রিগেড সমাবেশে এলেন না প্রকাশ কারাত, খেয়াল রাখবেন ওরা এবার হয়তো লিখতে শুরু করবে, ‘বাসনা থাকলেও কারাত ব্রিগেডে এলেন না বঙ্গ সি পি এমের আপত্তিতে ...।’ আবার, আমরা গণশক্তির কর্মীরা যেমন জেলায় জেলায় আমাদের পার্টি বা বামফ্রন্টের ছোট ছোট সমাবেশেও যাই শুধুমাত্র খবর লেখার জন্য নয়, সমাবেশের উত্তাপে নিজেদের সমৃদ্ধ করার জন্য, লড়াইয়ের শক্তিকে আরও মজবুত করার জন্য, তেমনই যদি প্রকাশ কারাত যদি ব্রিগেড সমাবেশে আসতেন কিন্তু বক্তৃতা না দিয়ে চলে যেতেন, সেই রকম কোনও ঘটনা ঘটলেও মিডিয়া লিখতো, ‘বঙ্গ সি পি এমের আপত্তি সত্ত্বেও কারাত এলেন ব্রিগেডে কিন্তু তাঁকে ভাষণ দিতে দিলেন না বিমান বসু-বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যরা। এতদ্বারা প্রমাণ হলো যে...।’
দেখেশুনে হাসি পাওয়ার কথা। কিন্তু হাসির সময় নয় এটা। খবরের দুর্বৃত্তায়নকে যদি চিনে নিতে হয়, তাহলে ওদের এভাবেই কাটাছেঁড়া করতে হবে। না হলে লড়াই কখনই শক্তিশালী হতে পারে না। যেমন গত ১১ই ফেব্রুয়ারি আনন্দবাজার আরেকটি খবরের শিরোনাম করেছে, ‘ছেলে কারাগারে একুশ বছর, পথ চেয়ে বসে মা’। তাতে চৈতি মণ্ডল নামে এক মায়ের কথা ওরা লিখেছে, যাঁর বড় ছেলে স্বপন মণ্ডল যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়ে ২১ বছর ধরে আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে। এতদিন জেলে থাকার পর যদি আচরণ ঠিকঠাক থাকায় ছেলে মুক্তি পায়, সেই আশাতেই মায়ের বসে থাকা। খুবই গরিব এই মায়ের দিন কাটে অন্য দুই ছেলের সঙ্গে ধাপা মাঠ থেকে কুড়নো প্লাস্টিক বেচে সংসার চালিয়ে।
এই খবরের কোথাও এমন দাবি নেই, স্বপন মণ্ডল সি পি আই (এম)-র কেউ। যে মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে স্বপন মণ্ডল যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, সেই মামলাতেই ওর সঙ্গে আরও যারা ধরা পড়েছিলো, খবরে কোথাও আনন্দবাজার দাবি করেনি যে, তারা সি পি এমের আশ্রিত। বরং এতোদিন কারাদণ্ড ভোগের পর স্বপন মণ্ডলরা যাতে ছাড়া পায়, তারই আবেদন ওই খবরে।
প্রশ্ন হলো কোন্ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলো স্বপন মণ্ডলরা? আনন্দবাজারের খবর থেকেই তুলে দিচ্ছি সেই তথ্য। ওরা লিখেছে, ‘‘...স্বপনকে পুলিস ধরেছিলো কেন? ধরেছিলো সেই বানতলা-কাণ্ডের সূত্রে। পুলিস সূত্রের খবর, ১৯৯০ সালের ৩০শে মে বানতলায় অনিতা দেওয়ান নামে এক স্বাস্থ্যকর্মীকে স্থানীয় কিছু দুষ্কৃতী ছেলেধরা গুজব তুলে পুড়িয়ে মেরেছিলো। হামলায় মৃত্যু হয়েছিলো অনিতাদেবীদের গাড়ির চালকেরও। অনিতাদেবীর দুই মহিলা সহকর্মী গুরুতরভাবে আহত হয়েছিলেন। তাঁদের উপর শারীরিক নির্যাতনও চলেছিলো বলে পুলিসের অভিযোগ। ওই ঘটনায় তোলপাড় হয়ে যায় সারা রাজ্য। পরদিন ৩১শে মে অপরাধীদের খোঁজে পুলিস ঘটনাস্থলের আশপাশে তল্লাশি চালায়। সেই অভিযানে অন্য ১৯ জনের সঙ্গে ধরা পড়েছিলো স্বপন। .. যাবজ্জীবন হয়েছিলো। তারপর দু’দশক পার হয়ে গিয়েছে। ২২ বছরের স্বপন মণ্ডল পৌঁছে গিয়েছেন চল্লিশের কোঠায়।’’
সেই বানতলা-কাণ্ড! যে ঘটনায় দু’জনের মৃত্যু হয়েছিলো। খবরেই প্রমাণ, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তল্লাশি চালিয়ে পুলিস অভিযুক্তদের ধরেছিলো। আদালতে বিচার হয়েছিলো। বিচারে শাস্তি হয়েছিলো। সেই শাস্তি চলছে এখনও। এবং এতে সি পি আই (এম)-র কোনো বিষয় ছিলো না।
অথচ সেই সময় বানতলা কাণ্ডের পরই আনন্দবাজার, বর্তমান সহ বিভিন্ন পত্রিকা, তখন আরও যেসব মিডিয়া ছিলো, তারা দিনের পর দিন এক সুরে সংবাদ প্রতিবেদনের নামে ‘সি পি এম একাজ করেছে’ বলে আমাদের পার্টিকে দুর্বিনীতভাবে কাঠগড়ায় তুলে ভয়ঙ্কর কুৎসা ও অপপ্রচার চালিয়েছিলো। তখন তৃণমূল হয়নি। বিরোধী দল কংগ্রেস সেই সময় দেওয়ালে দেওয়ালে বানতলা-কাণ্ড উল্লেখ করে সি পি আই (এম)-কেই আক্রমণ করতো। সভা-সমাবেশের ভাষণেও একই কাজ চালাতো ওরা। তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জি এখনও ভাষণে সুযোগ পেলে বানতলার কোনও বিচার হয়নি বলে অনায়াসে কুৎসা করেন। ফেসবুকে, ওয়েবসাইটে এখন সি পি আই (এম)-বিরোধী লোকজন বানতলা নিয়ে কটাক্ষ করেন! তবে সেই সময় বানতলা কাণ্ড নিয়ে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর কুৎসাটি মিডিয়া করেছিলো তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর মুখে অসত্য মন্তব্য বসিয়ে ছাপিয়ে। ঘটনা নিয়ে সাংবাদিকরা সেই সময় মহাকরণে জ্যোতি বসুকে প্রশ্ন করেছিলেন, এই ঘটনায় কি প্রমাণিত হয় না যে, রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে? উত্তরে জ্যোতি বসু বলেছিলেন, এই একটি ঘটনা দিয়ে তা প্রমাণ হয় না। বসুর সেই উত্তরটি পুরো চেপে গিয়ে পরদিন সংবাদপত্র লিখেছিলো, ‘জ্যোতি বসু বললেন, এমন ঘটনা তো কতই ঘটে।’ ব্যস্। বসুর মুখে বানিয়ে বসানো সেই অসত্য মন্তব্য ঘিরেও বানতলা কাণ্ডে কুৎসা প্রচার চালিয়েছিলো বিরোধীরা এবং মিডিয়া।
সেই সাজানো মন্তব্যটি ঘিরে কুৎসার অভ্যাস যে এখনও যায়নি, দু’দশক পরেও, তার প্রমাণ সম্প্রতি মিলেছে স্টার আনন্দ চ্যানেলে ‘বিদ্বজ্জনদের কি রাজনীতিতে আসা উচিত’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায়। সেখানে তৃণমূলী স্টাইলে পরিবর্তনপন্থী এক লেখিকা দেখা গেলো অনায়াসে দাবি করে বসলেন, নেতাই-কাণ্ডের পর মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বলেছেন যে, এমন ঘটনা তো কতই হয়!
বুঝুন, কী অবস্থা! বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য আদৌ এমন কথা বলেননি। বরং বলেছিলেন ‘দুর্ভাগ্যজনক’। কিন্তু দু’দশক আগে জ্যোতি বসুর মুখে যে অসত্য কথা বসিয়ে কুৎসা হয়েছিলো, সেই কথা আজও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মুখে বসিয়ে কুৎসা চলছেই।
খবরের দুর্বৃত্তায়ন এভাবেই ঘটে। ঘটিয়ে চলে খবরওয়ালারাই।

Recent comments
1 year 38 weeks ago
1 year 38 weeks ago
1 year 38 weeks ago
1 year 38 weeks ago
1 year 38 weeks ago
1 year 38 weeks ago
1 year 38 weeks ago
1 year 39 weeks ago
1 year 39 weeks ago
1 year 39 weeks ago