ছবির ধাঁধার মতোই কীভাবে হয় খবরের ধাঁধা
নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়াম। ১৮ই ফেব্রুয়ারির সন্ধ্যা। দ্য টেলিগ্রাফ পত্রিকার আয়োজনে বিতর্কসভা। বিতর্কের বিষয় : রাজনীতিকদের সরকারের বাইরে রাখলে ভারত ভালো এগোবে। বক্তাদের অন্যতম ছিলেন আমাদের দেশের রেলমন্ত্রী ও রাজ্যের বিরোধী নেত্রী মমতা ব্যানার্জি।
স্টার আনন্দ চ্যানেল সেই বিতর্কসভা সরাসরি সম্প্রচার করছিলো। আমরাও দেখছিলাম। পরদিন আনন্দবাজার পত্রিকা সেই বিতর্কসভার প্রতিবেদন ছেপেছিলো। আমরা তাও পড়েছিলাম।
স্টার আনন্দ দেখিয়েছে, মমতা ব্যানার্জি বিতর্কে অংশ নিয়ে বলছেন, ‘... আমরা কিন্তু গত দু’বছর ধরে কোনও বন্ধ করি না। অন্য একটা রাজনৈতিক দল যারা দেশটাকে শাসন করে, শাসক দল, তারাই বন্ধ করে।’
আনন্দবাজার লিখেছে, ‘...বন্ধের প্রসঙ্গে জবাব দিতে গিয়ে শুধু বললেন, আমরা কিন্তু গত দু’বছর ধরে কোনও বন্ধ করি না। অন্য একটা রাজনৈতিক দল করে।’
টেলিগ্রাফ পত্রিকা, স্টার আনন্দ, আনন্দবাজার পত্রিকা তিনটিই আনন্দবাজার গোষ্ঠীর পরিচালনাধীন। ওদেরই আরেকটা পত্রিকা আছে, ছোটদের জন্য, নাম আনন্দমেলা। তাতে ‘ছবির ধাঁধা’ বলে একটা বিভাগ থাকে। দুটো প্রায় একইরকমের ছবি পাশাপাশি ছেপে বলা হয়, দু’টো ছবিতে কতগুলি অমিল রয়েছে, সেগুলি খুঁজে বার করতে হবে। সেই ‘ছবির ধাঁধা’র মতোই এবার ‘খবরের ধাঁধা’ বলেও কোনও বিভাগ খোলা যেতে পারে। কেমন করে? ধরুন, এই যে উপরে মমতা ব্যানার্জির ভাষণ বলে স্টার আনন্দ যা দেখিয়েছে এবং আনন্দবাজার যা ছেপেছে বলে পরপর লিখেছি, এবার পাঠকদের প্রশ্ন করা যেতে পারে, বলুন তো বিতর্ক সভায় মমতার ভাষণে দেখা আর ছাপার মধ্যে অমিল কী কী?
অমিল হলো এই যে, স্টার আনন্দ দেখিয়েছে, মমতা বলছেন দেশটাকে শাসন করে অন্য একটা যে রাজনৈতিক দল তারা বন্ধ করে। কিন্তু আনন্দবাজার ছেপেছে, অন্য একটা রাজনৈতিক দল বন্ধ করে।
দেখাটাই বড় অভিজ্ঞতা যদি হয়, তাহলে বলতে হয়, দেশ শাসন করা যে রাজনৈতিক দলের উপর বন্ধের দায় চাপালেন মমতা, সেটা মমতা ব্যানার্জির ‘স্বভাব সপ্রতিভ’ (আনন্দবাজারের সৌজন্যে) ভুলভাল অবান্তর কথার গুণেই হোক, কংগ্রেসের উপর বর্তায়। সি পি আই (এম) তো দেশ চালায় না! যদিও এটা ঠিক মমতা সি পি আই (এম)-কেই কটাক্ষ করতে চেয়েছিলেন। তো আনন্দবাজার মমতার সেই ভুলটা শুধরে দিয়ে শুধু ছাপলো ‘অন্য একটা রাজনৈতিক দল বন্ধ করে’ কথাটা। ‘দেশ শাসন’ প্রসঙ্গটা এডিট করে বাদ দিয়ে দিলো।
কেন বাদ দিলো? সেই প্রসঙ্গে পরে আসছি। আসুন, ওই বিতর্কসভা থেকেই দেখা ও ছাপার আরো অনেক অমিল খুঁজে বার করি।
স্টার আনন্দ দেখালো, মমতা ব্যানার্জি বলছেন, ‘যদি কারো ভিশন থাকে, ডিটারমিনেশন থাকে, প্রপার প্ল্যানিং থাকে, তাহলে কাজ হবেই। এই দেখুন না, আমি রেলদপ্তর চালাই। একবছর সাত-আট মাস ধরে রেলমন্ত্রী আমি। এরই মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে চুপচাপ ১৬টি কারখানা করে দিয়েছি।’
আনন্দবাজার ছাপলো, ‘তিনি বললেন, আমি গত দেড় বছরে চুপচাপ এরাজ্যে ১৬টা কারখানা গড়ার কাজ শুরু করে দিয়েছি।’
অমিল কোথায়, দেখা ও ছাপায়?
খুব সহজ বার করা। দেখলাম ও শুনলাম ১৬টা কারখানা ‘করে দেওয়া’র কথা। যার অর্থ দাঁড়ায়, হয়ে গেছে ১৬টা কারখানা। কমপ্লিট। কিন্তু ছাপার অক্ষরে আমাদের পড়ানো হলো, ১৬টা কারখানা গড়ার কাজ শুরু করার কথা! যার অর্থ দাঁড়ায়, কারখানা হয়নি, হওয়ার কাজ শুরু করা হয়েছে!
কেন আনন্দবাজার ছাপার অক্ষরে ‘কাজ শুরু’র কথাটা যুক্ত করলো মমতার ভাষণে? সেই প্রসঙ্গেও পরে আসছি। আসুন, ওই বিতর্কসভা থেকেই আরো খবরের ধাঁধা দেখি।
স্টার আনন্দ দেখালো, মমতা ব্যানার্জি বলছেন, ‘...ক্রিকেটে যেমন ১১জন প্লেয়ারের মধ্যে কারো পারফরম্যান্স খারাপ হতে থাকলে বাদ দেওয়া হয়, সেইরকমই আমি মনে করি, কোনও ব্যাড মন্ত্রী থাকলে, যে মন্ত্রী কাজ করতে পারছেন না, ব্যর্থ, তাঁকেও বাদ দেওয়া উচিত...।’
আনন্দবাজার কী ছাপলো? না। রেলমন্ত্রীর এই কথাটা ছাপলোই না। একটা কথাও ছাপলো না মমতা ব্যানার্জির এই মন্তব্যের। আনন্দবাজার আর কী ছাপলো না?
স্টার আনন্দে আমরা দেখলাম, মমতা ব্যানার্জি অন্য বক্তাদের উদ্দেশ্যে বললেন, ‘আপনারা খালি দুর্নীতি দুর্নীতি দুর্নীতি বলে চেঁচান। কেন? আপনারা কি কনসেনট্রেশন, কনস্ট্রাকশন, পজিটিভ অ্যাপ্রোচ এসব ইতিবাচক কথাগুলি বলতে পারেন না?’
পরদিনের খবরে আনন্দবাজার ছাপলোই না তাঁর এইসব কথা। একটা শব্দও নয়। একেবারে বাদ।
কেন?
আসলে, বিতর্কসভায় ‘রাজনীতিক’ মমতা ব্যানার্জির ‘জয় জয়কার’ দেখাতে হবে। তাছাড়া মমতা ব্যানার্জি যে ‘দক্ষ প্রশাসক’ সেই ভাবমুর্তি নির্মাণের কাজও পুরোদমে চলছে। কষ্ট হচ্ছে এই কাজ করতে, তবুও এই কাজে তো বিরাম দেওয়া যায় না। পশ্চিমবঙ্গের ভোট সামনে। অতএব চলছেই তাঁকে ‘প্রশাসক’ হিসাবে দেখানো ও প্রচারের কাজ। তাই যে ভুলভাল কথাবার্তা তিনি বলছেন, যা কীনা টিভি চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচারের কল্যাণে সবাই দেখছেনও, তা ছাপার অক্ষরে রাখতে নারাজ মমতাময়ী প্রিন্ট মিডিয়া। সুতরাং বাদ। একেবারেই বাদ।
একেবারে শেষ উদাহরণটি দিয়েই শুরু করা যাক। ওই যে দুর্নীতি প্রসঙ্গে মমতা ব্যানাজি যা বললেন বিতর্কসভায়, যা একটু আগে উদ্ধৃত করেছি, সেই মন্তব্যটির ব্যাখ্যা কী? সংবাদমাধ্যমে অনায়াসে এইভাবে ব্যাখ্যা হতে পারতো, ‘...তিনি যে সরকারের রেলমন্ত্রী, সেই মনমোহন সিং মন্ত্রিসভা যখন দুর্নীতির প্রশ্নে জেরবার, কোনও মন্ত্রীকে ইস্তফা দিতে হচ্ছে, কাউকে সি বি আই গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠাচ্ছে, দেশের সর্ববৃহৎ আর্থিক কেলেঙ্কারি টু-জি স্পেকট্রাম কাণ্ড নিয়ে সরকার নাস্তানাবুদ, এমনকি প্রধানমন্ত্রীর দিকেও কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠছে, তখন মমতা ব্যানার্জি দুর্নীতি নিয়ে চেঁচাতে নিষেধ করলেন। তিনি ‘পজিটিভ অ্যাপ্রোচে’ গঠনমূলক কথা বলতে পরামর্শ দিলেন বিতর্কসভায়। প্রশ্ন উঠেছে, যাঁকে তার দল ‘সততার প্রতীক’ বলে রাস্তাঘাটে প্রচার চালায়, যিনি নিজেও বলে থাকেন যে, তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে সবসময় লড়াই করেন, ইস্তফাও এই ইস্যুতে তার কাছে জলভাত, সেই মমতা হঠাৎ দেশের সরকারের সবচেয়ে বড় দুর্নীতির সময় এমন কথা বললেন কেন?’
সংবাদমাধ্যম এভাবেও ব্যাখ্যা হতে পারতো, ‘‘নিজেকে তিনি যতই সততার প্রতীক বলে দাবি করুন না কেন, সেই মমতা ব্যানার্জি এখন দুর্নীতি নিয়ে প্রতিবাদী হতে চান না। নিজে তো কেন্দ্রীয় সরকারের দুর্নীতি নিয়ে মুখ খুলছেনই না, যদিও মাওবাদী সন্ত্রাস নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির সম্পূর্ণ বিপরীত কথা প্রকাশ্যেই তিনি বলতে ছাড়েন না, সেই মমতা এমনকি দুর্নীতি নিয়ে কেউ যাতে না চেঁচান এখন নিজেই প্রকাশ্যে সেই পরামর্শ দিচ্ছেন। বিতর্কসভায় রেলমন্ত্রী যা বলছেন, তার অর্থ দাঁড়ায়, দুর্নীতি দেখলেও চুপ করে থেকে গঠনমূলক ভাবনায় অন্য কথা বলুন। কেন মমতা ব্যানার্জির এমন কথা, সেই নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলেই।’’
এইভাবে যদি সংবাদমাধ্যমে ব্যাখ্যা হয়, তাহলে দেখবেন, মমতা ব্যানার্জি আদৌ কতখানি সততার পূজারী, তা নিয়ে আরো সন্দেহ সংশয়ের উদ্রেক হওয়া স্বাভাবিক। আনন্দবাজার তা চায় না। মমতাময়ী মিডিয়া তা চায় না। কারণ তাহলে তাকে ‘প্রশাসক’ হিসাবে তুলে ধরার চেষ্টা আরো একবার ঘা খাবে। অতএব আনন্দবাজার করলো কি, স্টার আনন্দ যতই মমতার ওই মন্তব্য অবিকল সম্প্রচার করে ফেলুক, চেপে গেল সেই মন্তব্য খবরের ছাপার অক্ষরে। যাতে মমতা যে এমন কথা বলেছেন, তার কোনও লিখিত তথ্য খবরে না থাকে।
এবার ধরুন আরেকটি উদাহরণের কথা। ওই যে বিতর্কসভায় মমতার সেই মন্তব্যটি, যেখানে দেখা গেল তিনি বলছেন, মন্ত্রিসভায় কোনও মন্ত্রী ব্যাড হলে, কাজ না করতে পারলে ব্যর্থতার জন্য তাকে বাদ দিয়ে দেওয়া উচিত। এই মন্তব্যটিও আনন্দবাজার নিছক লেখার জন্য বরাদ্দ জায়গার অভাবে বাদ দিলো, ভাবার কোনও যুক্তি নেই। বরং সচেতনভাবেই বাদ দিয়েছে ওরা রেলমন্ত্রীর ওই মন্তব্যটি। ঠিক যে কারণে ‘১৬টি কারখানা করে দিয়েছি’ বলে রেলমন্ত্রীর মন্তব্যের সম্পাদনা করে ওরা লিখেছে, ‘১৬টি কারখানা গড়ে দেওয়ার কাজ শুরু দিয়েছি’, ঠিক সেই কারণেই ব্যর্থ মন্ত্রীদের বাদ দেওয়ার দাবি সংবলিত মন্তব্যটিও আনন্দবাজার বাদ দিয়েছে। আনন্দবাজার জানে, ১৬টি কারখানা ‘করে দিয়েছি’ বলে মমতার যে দাবি, তা আদৌ হয়নি। শিলা পোঁতা হয়েছে। পড়েই রয়েছে সেই শিলা। কোথাও জমিই অধিগ্রহণ হয়নি। কোথাও প্ল্যানিং কমিশনের অনুমতি নেই। এখন তো খবরে প্রকাশ, রেলের এমন টাকার অভাব যে দৈনন্দিন কাজ চালানোই দায়। রেলমন্ত্রীকে ‘দেউলিয়া ব্যানার্জি’ বলে অভিহিত করেছে সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমই। কাজের এই চেহারা একদিক থেকে মনমোহন সিং মন্ত্রিসভার ‘ব্যর্থ মন্ত্রী’ বা ‘ব্যাড মিনিস্টার’ হিসাবে চিহ্নিত হওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। অতএব সেই মমতার মুখে ‘ব্যর্থ মন্ত্রী’-কে বাদ দেওয়ার দাবি হাসি-ঠাট্টা-মশকরার পক্ষে যথেষ্ট। তাঁর প্রশাসক ভাবমূর্তির ঝুটা নির্মাণেও প্রভাব ফেলবে। তাই মমতার ওই মন্তব্য বাদ দিয়েছে আনন্দবাজার। ভেবেচিন্তেই। ঘটনাচক্রে যেদিন মমতা ব্যানার্জি নেতাজী ইন্ডোরের ওই বিতর্কসভায় বেমালুম ১৬টা কারখানা করে দেওয়ার দাবি শুনিয়ে বসলেন, সেদিনই গণশক্তি পত্রিকায় একটি তাৎপর্যপূর্ণ খবর বেরিয়েছে প্রথম পাতায়। সি পি আই (এম) সাংসদ সাইদুল হক তথ্য জানার অধিকার আইনে রেলওয়ে বোর্ডের কাছে মোট ৬টি প্রশ্ন জানতে চেয়েছিলেন। তাতে রেলমন্ত্রী কোথায় কোন প্রকল্পের শিলান্যাস করেছেন সেই বিবরণ জানতে চাওয়া থেকে শুরু করে এমনকি রেলের ফাইল দিল্লি থেকে কলকাতায় আনিয়ে রেলমন্ত্রীর সই নিয়ে ফেরত নিতে কত খরচ হয়েছে, এমন সব প্রশ্নও ছিলো। তিনমাস সময় নিয়েও একটা প্রশ্নেরও জবাব দিতে পারেনি রেলবোর্ড। সব প্রশ্নেরই জবাবে ওরা জানিয়েছে ‘খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে, বিস্তারিত তথ্য পেলে জানানো হবে।’ আসলে যা হয়েছে, তা যদি জানানো হয়, তাহলে তো রেলমন্ত্রীর ভাষণ ও দাবি সব মিথ্যা প্রমাণ হয়ে যাবে। তথ্য জানার অধিকার আইন তো সরকারী আইন। সরকারী ভাষ্যের সঙ্গে মিলবে না রাজনীতিক রেলমন্ত্রীর দাবি! তাই তিনমাস হয়ে গেলেও খোঁজখবর নেওয়ার ছলে সময় কাটানোর ওই উত্তর। আনন্দবাজারও জানে মমতা ব্যানার্জির আমলে রেলের হাল-হকিকৎ তথা ১৬টি কারখানা হওয়ার আসল চেহারা। তাই যাই দাবি করুন মমতা, ছাপার অক্ষরে তার দাবির পরিমার্জন করে প্রকাশ করা। যাতে ‘প্রশাসক’ সম্পর্কে ‘ভুল বার্তা’ না যায় এখন এই সময়ে। রেলমন্ত্রীর এইসব কথাবার্তা ছাপার অক্ষরে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে ‘রাজনীতিক’ হিসাবে মমতা ব্যানার্জির ‘জয়’ দেখানো যাবে কী করে? কীভাবেই বা তাঁকে পরিচিত করানো যাবে কলকাতা তথা এই রাজ্যের মানুষের কাছে?
আনন্দবাজার ওই খবরে লিখেছে, দ্য টেলিগ্রাফ বিতর্কসভায় বক্তাদের পরিচিতি দিতে গিয়ে আনন্দবাজার সংস্থার প্রধান সম্পাদক অভীক সরকার বলেছেন, ‘পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মূর্খই শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কলকাতার শ্রোতাদের কাছে পরিচিত করানোর সাহস দেখাতে পারে। আমি সেই ঝুঁকি নেব না।’
বলেছেন তিনি এমন কথা। ঝুঁকি নিতে ভয় পেয়েছেন। কিন্তু নিজের পত্রিকায় বিতর্কসভার খবরে সেই মমতা ব্যানার্জির ঝুটা ভাবমূর্তির পরিচিত ইমেজ যাতে টাল না খায়, তার জন্যই সচেতন থেকে মমতার ভাষণের কোনও অংশ বাদ দিয়ে, কোনও অংশ পরিবর্তিত করে, কোনও অংশ একদমই উল্লেখ না করে ছাপানোর ঝুঁকি নিয়েছেন। হয়তো খেয়াল ছিলো না, স্টার আনন্দ চ্যানেলে রেলমন্ত্রীর ভাষণ সরাসরি দেখানো ও শোনানো হচ্ছে।
যাক গে, খবরের ধাঁধাও যে কীভাবে হতে পারে, সেই অভিজ্ঞতা তো হলো পাঠক ও শ্রোতাদের।

Recent comments
1 year 38 weeks ago
1 year 38 weeks ago
1 year 38 weeks ago
1 year 38 weeks ago
1 year 38 weeks ago
1 year 38 weeks ago
1 year 38 weeks ago
1 year 39 weeks ago
1 year 39 weeks ago
1 year 39 weeks ago