রেলের যাত্রীস্বার্থ কোথায়?

১৪ই এপ্রিল ১৯৫২ সালে ব্রিটিশদের হাত থেকে রেল ব্যবস্থা নেওয়া হলো এবং পূর্ব রেল গঠিত হলো যথাক্রমে হাওড়া, শিয়ালদহ, আসানসোল এবং দানাপুর ডিভিশনকে নিয়ে। সাথে রইল বি এন আর রেল (বেঙ্গল-নাগপুর রেলওয়ে)। পরবর্তীকালে ১লা আগস্ট ১৯৫৫ সালে বেঙ্গল-নাগপুর রেল পূর্ব রেল থেকে বিচ্ছিন্ন করে সাউথ ইস্টার্ন রেলওয়ে যা দক্ষিণ-পূর্ব রেল নামে গঠিত হলো। দুইটির হেড কোয়ার্টারই কলকাতায়, যার একটি বি বা দি বাগে এবং অপরটি গার্ডেনরিচে অবস্থিত। আবার বি জে পি সরকারের আমলে ০১/১০/২০০২ সালে পূর্ব রেল থেকে বার করে নিয়ে যাওয়া হলো যথাক্রমে ধানবাদ, মুঘলসরাই এবং দানাপুর, গঠিত হলো ইস্ট-সেন্ট্রাল রেলওয়ে যার হেড কোয়ার্টার হলো হাজিপুরে। যদি ধরে নেওয়া যায় বোঝা হালকা করলে কাজ ভাল করা যাবে তাহলে স্বাধীনতার পর ৬২ বছর লাগল শুধু ১০,০০০ কিলোমিটার লাইন পাততে। ব্রিটিশরা এদেশ ছেড়ে চলে যাবার সময় এদে‍‌শে ৫৩,৯৯৬ কিলোমিটার রেলপথ ছিল। বর্তমানে এটা দাঁড়িয়েছে ৬৪,০৪৯ কিলোমিটার। অর্থাৎ প্রতি বছরে গড়ে মাত্র ১৬১ কিলোমিটার রেলপথ গড়ে উঠল। আবার এখন রেল কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে গত ১৯ মাসে মাত্র ৫৮ কিলোমিটার রেলপথ পাতা গেছে। সেগুলো আবার পুরানো চালু প্রকল্পগুলির অধীন। গত দু’টি বাজেটের ঘোষিত কোন প্রকল্পের কাজ এখনও শুরু হয়নি।

ভিশন-২০২০ এবং শ্বেতপত্র অনুযায়ী রেলের ‘ড্রিম’ অর্থাৎ স্বপ্ন পূরণে ঘোষিত প্রস্তাবগুলি একবার দেখে নেওয়া যাক, (১) আগামী ১০ বছরে ২৫,০০০ কিলোমিটার রেলপথ স্থাপন। (২) অনেক নতুন ট্রেনের প্রবর্তনের প্রস্তাব থাকলেও ২ লক্ষের উপর শূন্যপদ পূরণের জন্য কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। (৩) বর্তমানে ভারতীয় রেলে ১৮,০০০ কিলোমিটার রেলপথে যেখানে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ লাইন আছে সেই রেলপথকে ২০২০ সালের মধ্যে ৩০,০০০ কিলোমিটার-এ উন্নীত করা হবে এবং এই ৩০,০০০ কিলোমিটারের মধ্যে ৬০০০ কিলোমিটারে চতুর্থ লাইন করার প্রতিশ্রুতি। (৪) ভারতীয় রেলের ১,১২,০০০একর ফাঁকা জমিতে স্কুল, মেডিক্যাল কলেজ, নার্সিং সেন্টার এবং কোচ ফ্যাক্টরি তৈরির মতো অনেক প্রকল্প গ্রহণ করার প্রতিশ্রুতি ইত্যাদি।

বর্তমানে জরুরী বিষয় হলো নিত্যযাত্রীদের জন্য উপযুক্ত পরিষেবার ব্যবস্থা করা। কারণ লক্ষ লক্ষ নিত্যযাত্রী রেল পরিবহন ব্যবস্থার উপর নির্ভরশীল। অস্বাভাবিক ভিড় এড়াতে সকাল-সন্ধ্যার মধ্যে ব্যস্ত সময়ে এবং দুপুরবেলায় ট্রেন বাড়ানো, প্রতিটি ডিভিসনের শাখাগুলিতে আরও স্বল্পদূরত্বের ট্রেন চালু করা, ১২ বগির ট্রেন সব শাখায় চালুর মধ্য দিয়েই এই পরিষেবা সঠিকভাবে দেওয়া সম্ভব। অথচ আমাদের অভিজ্ঞতা কী এই রাজ্যে? নামমাত্র শাখায় লেডিজ স্পেশাল, মাতৃভূমি এক্সপ্রেস নামের আড়ালে লোকাল ট্রেন চালু হলেও তা থেকে সর্বাধিক উপযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে না। কয়েকটি ১২ বগির ট্রেন চালু হয়েছে মাত্র কয়েকটি শাখায়, তাও চালু ট্রেনগুলির কিন্তু সমস্ত স্টেশনে দাঁড়ায় না। হাওড়া ও শিয়ালদহ স্টেশন দিয়ে কলকাতা ও সন্নিহিত জেলাগুলিতে প্রতিদিন প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ যাতায়াত করেন। মুম্বাই শহরে লোকাল ট্রেনের প্রায় ১০০% ১২ বগির এবং তাঁরা অর্থাৎ যাত্রীরা ১৫ বগির গাড়ি চালু করার আন্দোলনে নিয়োজিত আছে। অথচ পূর্ব রেলের হাওড়া ও শিয়ালদহ ডিভিসনে লোকাল ট্রেনের ৮-৯% মাত্র ১২ বগির ট্রেন। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের ডিভিসনগুলির কোনও শাখায় এখনও পর্যন্ত গত ২টি রেল বাজেটের পরেও ১২ বগির ই এম ইউ ট্রেন চালু করা গেল না। অথচ শহরতলির কিংবা লাগোয়া জেলাগুলির প্রায় সমস্ত স্টেশনগুলি গত পাঁচ বছর অনুমোদন সাপেক্ষে ১২ বগির গাড়ির চলাচলের উপযুক্ত করে গড়ে তোলা গেছে। কিন্তু রেকের অভাবে, অন্যান্য উপযুক্ত পরিকাঠামোর অভাবে, ব্যাপক বেসরকারীকরণের ফলে ১২ বগির গাড়ি সর্বত্র চালু হচ্ছে না। সর্বোপরি রেলে শূন্যপদ পূরণ না হওয়ায় সমস্যা আরও গভীর হয়েছে। পরিকাঠামোর উন্নয়ন ছাড়াই নিত্য-নতুন দূরপাল্লার ট্রেনের সাড়ম্বর উদ্বোধনে এবং যত্রতত্র মালগাড়ি চলাচল ও একই লাইনে লোকাল ট্রেন যাতায়াতের ফলে চালু ট্রেনগুলি অসম্ভব বিলম্বে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছে। আমাদের রাজ্যের ১৯টি জেলার অধীন ডিভিশনগুলির শাখাগুলিতে যে পরিষেবা বিদ্যমান তার সাথে মুম্বাই শহরের ডিভিসনগুলির শাখাগুলিতে রেল পরিষেবা কীরকম তা নিয়ে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

বিগত ২০১০-২০১১ সালের রেল বাজে‍‌টে মুম্বাইয়ের জন্য বাড়তি ১০১টি লোকাল ট্রেনের ঘোষণা হলো এবং আরও ঘোষণা হলো মুম্বাই প্রজেক্টের প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হবে বর্তমান বছরে এমনকি দ্বিতীয় পর্যায়ের পরিকল্পনাও চূড়ান্ত যা ২০১৪ সালের মার্চের মধ্যে শেষ হবে। বর্তমানে মুম্বাই শহর এলাকায় মধ্য রেল ও পশ্চিম রেলের আওতায় দৈনিক ১৩৬৪টি লোকাল ট্রেন চলে। প্রায় ৩০০ কিলোমিটার জুড়ে মধ্য রেলের সুবারবন শাখায় প্রতি ১০০ কিলোমিটার রেলপথে ৪৮৫টি ট্রেন চলে। মুম্বাইতে পশ্চিম রেলওয়ের আওতায় লোকাল ট্রেনের সংখ্যা ১০০০ ছাড়িয়ে গেছে। তাহলে এই রাজ্যে রেল কর্তৃপক্ষ বঞ্চিত করল পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব রেলের যাত্রীদের। পূর্ব রেলের হাওড়া ও শিয়ালদহ ডিভিশন মিলিয়ে ট্রেনের সংখ্যা ১১৩৫টি। ৮৮৩ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে পূর্ব রেলের সুবারবন রেল পরিষেবায় এই সংখ্যা মধ্য রেলের তুলনায় পাঁচগুণ, পশ্চিম রেলের থেকে এই পরিষেবা প্রায় আট গুণ কম। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের হাওড়া-খড়গপুর শাখার লোকাল ট্রেন পরিষেবা নিয়ে গত বা‍‌জেটে একটি শব্দও খরচ করা হয়নি। অথচ দক্ষিণ-পূর্ব রেলে ৩৫০ কিলোমিটার রেলপথে ১৭৮টি ট্রেন চলে। মধ্য ও পশ্চিম রেলের তুলনায় এই সংখ্যা যথাক্রমে ১০ গুণ ও পনের গুণ কম। উপরন্তু পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব রেলে অতিরিক্ত নতুন রেক তো আসছেই না, রেকের বদলে ৩রেকও আসছে না, এমনকি বাতিলযোগ্য রেকগুলিকে নানারঙে সাজিয়ে প্রচারমাধ্যমের সাহায্যে নিত্যনতুন ট্রেনের উদ্বোধন করা হচ্ছে যা আখেরে রেল বোর্ডের নির্দেশের বিরুদ্ধে এবং যাত্রী সুরক্ষার বিপরীতে কাজ হচ্ছে।

গত এক দশক ধরে পূর্ব, দক্ষিণ-পূর্ব এবং নর্থ ইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলের শাখাগুলির জন্য রেল ব্যবহারকারী কমিটি, রেলওয়ে পরামর্শদাতা কমিটি, রেলওয়ে মিনিসট্রিয়াল কমিটি ও সংসদীয় পরামর্শদাতা কমিটিগুলির পরামর্শমত যে সমস্ত প্রকল্প অনুমোদন লাভ করেছিল সেগুলি যথোচিতভাবে কার্যকর করা হলে আজকের রেল ব্যবস্থায় যে ত্রুটিগুলি চোখে পড়ছে সেগুলি দূর করা সম্ভব হতো। যেমন দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় নতুন লাইন স্থাপন, কোন ক্ষেত্রে মিটার গেজ-ব্রডগেজ হাওড়া ডিভিসনের ক্ষেত্রে (পূর্বরেলে) লিলুয়া-ডানকুনি (তয় লাইন), ডানকুনি-বর্ধমান (৪র্থ), হাওড়া-ব্যান্ডেল (৪র্থ), ব্যান্ডেল-বর্ধমান (৩য়), ব্যান্ডেল-কাটোয়া (২য়), শেওড়াফুলি-তার‍‌কেশ্বর (২য়), তারকেশ্বর-আরামবাগ-বিষ্ণুপুর (১ম), মশাগ্রাম-রায়না (১ম), বর্ধমান-কাটোয়া (১ম), শিয়ালদহ-বারুইপুর (তৃতীয়), বারুইপুর-ডায়মন্ডহারবার (২য়), বারুইপুর-লক্ষ্মীকান্তপুর (২য়), সোনারপুর-ক্যানিং (২য়), দমদম-বারাসত (তয়), বারাসত-বসিরহাট (২য়), নৈহাটি-রানাঘাট (তয়), কৃষ্ণনগর-লালগোলা (২য়), কৃষ্ণনগর-নবদ্বীপঘাট (১ম), কৃষ্ণনগর-করিমপুর (১ম) প্রভৃতি এবং দক্ষিণ-পূর্ব রেলের অধীন হাওড়া-পাঁশকুড়া (৪র্থ), খড়্গপুর-মেদিনীপুর (২য়), হাওড়া-আমতা (২য়)-বাগনান (১ম) এছাড়াও মালদা, আসানসোল, আজিমগঞ্জ ডিভিসনে যে সমস্ত নতুন লাইনের প্রয়োজন সেগুলিকেও অনুমোদিত করতে হবে। বৈদ্যুতিকীকরণ বিষয়ে রাজ্যের সরকার বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করতে পারে অবশ্যই রেলকে সে বিষয়ে যথোপযুক্ত সমন্বয়সাধন করে চলতে হবে। রেলের যে ১,১২,০০০ একর জমি আছে তা থেকে কিছু জমিতে ন্যূনতম ১টি করে প্ল্যাটফর্ম করা অত্যন্ত জরুরী। কারণ অনেক সময় প্ল্যাটফর্মের বাইরে দীর্ঘক্ষণ গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকে এতে যাত্রী অসন্তোষ বাড়ে এবং অযথা সময় অপচয় হয়। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে মানুষ নানা কারণে ধৈর্য হারায়, ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হয়। সেক্ষেত্রে অনেক সময় মারামারিতে যাত্রী, রেল-কর্মচারী, অন্যান্য স্তরের মানুষ জড়িয়ে পড়ে এমনকি কোন কোন ক্ষেত্রে অবরোধের সৃষ্টি হয়।

রেলের এখনও বহু লাইন এমনই পড়ে আছে যেগুলি দিয়ে ট্রেন চলাচল করানো যায় এমনকি সেগুলি বৈদ্যুতিকীকরণ হয়ে আছে। যেমন, ডানকুনি-খড়্গপুর, আবার কিছু গাড়ি এমনি চালু করা যায় যেমন দুর্গাপুর-হাওড়া, কর্ড লাইনের বারুইপাড়া-বারুইপুর (শিয়ালদহ সাউথ), বর্ধমান—বি বা দি বাগ-মাঝেরহাট ভায়া ডানকুনি। অবশ্যই সাথেসাথে চক্ররেলের দ্বিতীয় লাইনটি জরুরীভাবে হাতে নিতে হবে। কয়েকটি স্টেশনকে একটু সাজিয়ে দিলে হবে? এখনও বহু স্টেশনে ফুট, ওভারব্রিজ নেই, শেড নেই, যেগুলি আছে কোন ক্ষেত্রে সেগুলির আয়ু ফুরিয়েছে আবার নতুন করতে হবে। বয়স্ক/বয়স্কা, প্রতিবন্ধী ও অন্যান্য যাত্রীদের জন্য সাবওয়ে, আন্ডারপাস আজকের ঘনবসতি হওয়ায় জরুরী হয়ে পড়েছে। গ্রীষ্মকাল দোরগড়ায় পানীয় জল সব স্টেশনে পাওয়া যাবে না কী? হয়ত পয়সা দিয়ে বোতলের জল কিনতে হবে। এটাও পরিষেবার বিষয়। এই যে যখন-তখন ওভারহেড তার ছিঁড়ে যাচ্ছে, পেন্টোগ্রাফ ভেঙে যাচ্ছে, রেলের ভাষায় স্বয়ংক্রিয় সিগন্যালিং ব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে, ট্রেন যেতে যেতে হঠাৎ দাঁ‍ড়িয়ে পড়ছে, কেবিন থেকেও ঠিকমত সিগন্যাল না পাওয়ায় মোটরম্যান অথবা গার্ডকে যে করেই হোক ও পি ডি পাঠাতে হবে নচেৎ ট্রেন নড়বে না। ফলে সেই লাইনে পরের পর গাড়ি দাঁড়িয়ে যাবে। আবার যদি ক্রসিংয়ে দাঁড়ায় তাহলে সোনায় সোহাগা। আপ ও ডাউন সব গেল। হঠাৎ ঘোষণা সব ঠিক হ্যায় গাড়ি ছাড়লো। এবার হাওড়া, শিয়ালদহ, খড়্গপুরে ঘোষণা অমুক গাড়ি ছাড়তে বিলম্ব হবে কারণ সিগন্যাল পেলে গাড়ি ছাড়বে। স্টেশনে ওই লাইনে যাবার যাত্রী হইহই করে ট্রেনে উঠলেন। ৪টি গাড়ির যাত্রীরা সবাই ঐ গাড়িতে যাবেন। পরিস্থিতিটা কী দাঁড়াবে। ওদিকে স্টেশনের ম্যানেজার ও অন্য কর্মচারীদের তখন পাওয়া যাবে না। রাত্রি হচ্ছে দেখে বাড়ির লোকেরা চিন্তায় অসুস্থ হবার উপক্রম, নিজে গলদঘর্ম হয়ে ট্রেনের অপেক্ষা এই বুঝি ট্রেন ছাড়ে। অবশেষে ছাড়ল ও বর্ধমান, খড়্গপুর, কল্যাণী, লক্ষ্মীকান্তপুর, কাটোয়া পৌঁছাতে প্রায় ভোর। কেন এমন হয়, অন্যান্য যে সমস্ত শহরে সুবারবান সার্ভিস বা অন্য সার্ভিস চালু আছে সেখানে এরকম হয় নাকি? না, হয় না। কারণ, ঠিকমত রক্ষণাবেক্ষণ হয় যে। সারাদিনে যে ট্রেনগুলি চলে তারও বিশ্রাম প্রয়োজন। নচেৎ তার আয়ু কমে যায়। সেইরকম ওভারহেড তার, সিগন্যালিং ব্যবস্থা সমস্ত কিছুরই আয়ু ফুরিয়ে গেলে যাত্রী পরিষেবার জন্য প্রয়োজন পড়ে সেগুলিকে বাতিল বলে গণ্য করা এবং পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করা। সোজা কথায় নতুন রেক, নতুন লাইন, ওভারহেড তার ইত্যাদি। মুম্বাই শহরের মতো আমাদের শহরের রেল ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে প্রতি ১০ বছর অন্তর সব কিছুরই পরিবর্তন করা উচিত। তাই শুধু একবার উপরে একবার পাতালে প্রবেশ করে সদলবলে যো হুজুরদের সঙ্গে পতাকা নাড়লেই সেবার বা সততার প্রতীক হওয়া যায় না। তাই যাত্রী স্বার্থ বিঘ্নিত করে রাজ্যের লক্ষ লক্ষ যাত্রীকে অন্ধকারে রেখে কোন প্রকল্প রূপায়িত করা যায় না।

Powered by Drupal, an open source content management system